বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ০৯:০২ পূর্বাহ্ন
বিশেষ ঘোষণা :
*নতুন সকাল ডটকম পড়ুন ও বিজ্ঞাপন দিন *নতুন সকাল ডটকম পড়ুন ও বিজ্ঞাপন দিন *নতুন সকাল ডটকম পড়ুন ও বিজ্ঞাপন দিন *নতুন সকাল ডটকম পড়ুন ও বিজ্ঞাপন দিন
সংবাদ শিরোনাম :
হিংসা বিদ্বেষ ভুলে নেতা-কর্মীদের আন্তরিকতা হয়ে কাজ করতে হবে-এমপি সালাম মূর্শেদী খুলনায় পহেলা বৈশাখ উদযাপন পহেলা বৈশাখ বাঙ্গালির সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ-ভূমিমন্ত্রী মোংলা-ঘোষিয়াখালী চ্যানেলের তীরভূমি দখলের মহোৎসব, নাব্যতা সঙ্কটের শংকা কপিলমুনিতে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষ্যে র‍্যালী ও পান্তা আসর অনুষ্ঠিত বটিয়াঘাটায় পহেলা বৈশাখ উদযাপিত বটিয়াঘাটার তেতুলতলা এলাকায় আইন শৃংখলা পরিস্তিতির অবনতি : জনমনে ক্ষোভ পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জেলা আ’লীগ নেতা সরফুদ্দিন বিশ্বাস বাচ্চু তেরখাদা-রূপসা-দিঘলিয়াবাসীকে ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এমপি সালাম মূর্শেদী চাঁদ রাতে মুক্তি পাচ্ছে ভালোবাসার ময়না পাখি!

তেরখাদায় ভূমি অফিসে দালালদের হাতে জিম্মি সেবা প্রত্যাশিরা

  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১২ মার্চ, ২০২৪, ১১.০৩ পিএম
তেরখাদা

নিজস্ব প্রতিবেদক : চিহ্নিত দালালদের নিয়ন্ত্রণে এখন তেরখাদা উপজেলা ও ইউনিয়ন ভূমি অফিসগুলো! সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত প্রতিদিন সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত চিহ্নিত দালালরা উপজেলা ও ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চেয়ার-টেবিলে বসেই কাজ সারেন। দালালদের জিম্মিদশায় আর্থিক ক্ষতি ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন সেবাপ্রত্যাশিরা।সরেজমিন ও বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা ও ইউনিয়ন ভূমি

অফিসগুলোতে শ’খানেক দালালের সক্রিয় সিন্ডিকেট। এরা নানাভাবে নিয়ন্ত্রণ করছে উপজেলার সকল এলাকার ভূমিসংক্রান্ত কাজকর্ম।

এসব দালালদের কাছে জিম্মি সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ।অথচ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মারুফা বেগম নেলি ও সহকারী কমিশনার (ভুমি) সুমাইয়া সুলতান এ্যানি যোগদানের পর তেরখাদায় হয়রানিমুক্ত ভুমি সেবা প্রদানে তাদের সদিচ্ছা সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে।

কিন্তু দালালদের তৎপরতায় তাদের প্রশংসায় কালিমালিপ্ত করছে। এসব দালালদের প্রতিহত করা এখন সময়ের দাবি পরিনত হয়েছে। একজন ব্যক্তির কাজ ভুমি অফিসে থাকতেই পারে। কিন্তু একজন ব্যক্তির কাছে যখন একাধিক খারিজ ও মিস কেস ফাইলের তদ্বির থাকে তখনই তাকে দালাল বলে।

কয়েক দিন ধরে বেশ কয়েকবার উপজেলা, তেরখাদা সদর ও বারাসাত ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গিয়ে দালালদের এমন উৎপাতের চিত্র দেখা গেছে। ভূমি সংক্রান্ত বিভিন্ন কাজের মূল্য তালিকা সম্বলিত সাইনবোর্ড ও কাগজ সরবরাহের নির্ধারিত সময়ের উল্লেখ শুধু লোক দেখানো। তালিকার মূল্যের ৫০-৬০ গুণ বেশি টাকা আর মাসের পর মাস পেছনে ঘুরে ভুক্তভোগীরা কাজ আদায় করেন।

কোন কোন ক্ষেত্রে শতগুণ বেশি টাকা দিয়েও কেউ কেউ হয়রানির শিকার হন। এসব যেন দেখার কেউ নেই। অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে ভূমি অফিসের নানা অনিয়ম-দুর্নীতি, হয়রানি ও ঘুষ বাণিজ্যের ভয়াবহ চিত্র। দালাল পরিবেষ্টিত ইউনিয়ন ভূমি অফিসগুলোতে দালালদের কাছে কোন কাজই অসাধ্য নয়। জমির বৈধ মালিক যেই হোক, চাহিদা মতো টাকা এবং দাগ খতিয়ান নম্বর দিলেই তা হয়ে যায় অন্যের। আবার বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও ঘুষের রেটে হেরফের হলে প্রকৃত ভূমি মালিকদের হতে হয় হয়রানির শিকার।

নামজারির জন্য যেখানে সরকার নির্ধারিত ফি ২৭২ দশমিক ৫ টাকা। সেখানে ৩৫০০ থেকে ৫০০০ টাকার নিচে কোন কাজে হাতই দেয় না কর্মচারী কিংবা দালাল। ভূমি অফিসে এসব দালালের উৎপাতে অতিষ্ঠ এলাকার সাধারণ মানুষ।ইতিমধ্যে উপজেলা সহকারি কমিশনার ভূমি কয়েকজন দালালকে জরিমানা করলেও ভূমি অফিসে দালালদের লাগাম টেনে ধরা যাচ্ছে না।

উপজেলা সদর এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, ‘ভাই কী আর করবো, এ অফিস গুলোতে দালাল ছাড়া কোনো কাজই হয় না।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই লোক আরও বলেন, ‘ভূমিসংক্রান্ত সমস্যার জন্য অফিসের কর্তাবাবুদের কাছে যেতে চাইলেও দালালরা যেতে দেয় না, কাজ করে দেওয়ার আশ্বাসে দালালরা হাতিয়ে নেয় মোটা অঙ্কের টাকা।দেখা গেছে, ভূমি অফিস বা সরকারি কোনো দপ্তরের কর্মচারী না হলেও দালালরা সদর ও বারাসাত ইউনিয়ন ভূমি অফিসে প্রতিনিয়তই দাপিয়ে বেড়াচ্ছে।

এরা এখন ভূমি অফিসের অঘোষিত কর্মচারী! এদের অত্যাচারে ভূমি অফিসে আসা জমির মালিকরা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন। দালাল ছাড়া কোনো ভুক্তভোগী ভূমি অফিসের ধারেকাছেও যেতে পারেন না।

দালালরা নির্নিষ্ট সময়ে জমির খতিয়ান, ভূমিসংক্রান্ত মামলাসহ ভূমির বিভিন্ন সমস্যা দ্রুত সমাধান করে দেওয়ার আশ্বাসে ভূমি অফিসের প্রকৃত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নাম ভাঙিয়ে সেবা প্রত্যাশীদের প্রলোভনে ফেলে আদায় করে মোটা অঙ্কের টাকা।

এছাড়াও ভূমি অফিসের একশ্রেণির কর্মচারীর সঙ্গে এসব দালালের দারুণ সখ্যতা। স্থানীয়রা জানান, উপজেলা ও ইউনিয়ন ভূমি অফিসগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি দালালের উৎপাত সদর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে।

তারা ভূমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নাম ভাঙিয়ে লোকজনের কাছ থেকে জমির নানা সমস্যাকে পুঁজি করে হাতিয়ে নিচ্ছে টাকা।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মারুফা বেগম নেলি বলেন, ভূমি অফিসকে দালাল ও হয়রানিমুক্ত করতে উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

 

পটুয়াখালী‌তে আস্থা প্রকল্পের জেলা নাগরিক প্লাটফর্ম এর ত্রৈমাসিক সভা

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

One response to “তেরখাদায় ভূমি অফিসে দালালদের হাতে জিম্মি সেবা প্রত্যাশিরা”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

https://natunshokal.com/#
নিবন্ধনের জন্য আবেদনকৃত অনলাইন নিউজ পোর্টাল। অনুমতি ছাড়া এই পোর্টালের কোন সংবাদ কপি করে অন্য কোথাও প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকুন।