সোমবার, ০১ মার্চ ২০২১, ১০:২১ অপরাহ্ন
বিশেষ ঘোষণা
সংবাদ শিরোনাম

রূপসায় ভেজাল ওষুধের ব্যবসা জমাজমাট , মুদি ও পান দোকানী এখন ডাক্তার

  • আপডেট : সোমবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২১, ৭.০৭ পিএম
রূপসায় ভেজাল ওষুধের ব্যবসা জমাজমাট , মুদি ও পান দোকানী এখন ডাক্তার

খান আঃ জব্বার শিবলী : রূপসা উপজেলায় চলছে জমজমাট ভেজাল ওষুধের ব্যবসা। মুদি দোকানদার ও পান দোকানীরা এখন পুরোদমে ডাক্তারি শুরু করেছে।

অবাধে বিক্রি হচ্ছে নকল, ভেজাল ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ। অথচ এসব ওষুধ বিক্রি বন্ধে প্রশাসনের কোন জোরালো উদ্যোগ চোখে পড়ে না। ফলে ধীরে ধীরে রমরমা বাণিজ্যে পরিণত হয়ে উঠেছে অবৈধ এ ওষুধের বাজার। এতেকরে একদিকে রূপসার ফার্মেসীগুলোতে বিক্রি হচ্ছে মানহীন ওষুধ, যা ব্যবহার করে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছে রুগীরা।

অন্যদিকে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে মানুষ। রূপসার যকয়েকটি ওষুধের ফার্মাসীতে সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, ৮ থেকে ১০ টাকার জন্মনিয়ন্ত্রক ওষুধ ডিপো-প্রোভেরার কর্ক ও লেবেল বদলে ৮০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে ভেজাল ডিপোমেট্রাল। নকল করা হচ্ছে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত রোগে ব্যবহার করা কেভিনটল ট্যাবলেট, ক্যানিকিড ইনজেকশন, ইনফেরন ইনজেকশন, ট্রাইডাল ইনজেকশন, জেনটোসিনাস ইনজেকশন, গ্রাইপ ওয়াটার সিরাপ, ভেনটোলিন, মাইসেফ, ডাইক্লোফেনাক, বেটনোবেট, মেথারজিন ট্যাবলেট, নকল কাঁচামাল দিয়ে তৈরি হচ্ছে জীবনরক্ষাকারী ওষুধ হাইড্রোকরটিসন ইনজেকশন। এ ছাড়া বিভিন্ন মোড়কে তরল ওষুধেরও নকল হচ্ছে অহরহ। নাম মাত্র প্রশিক্ষণ নিয়ে সামান্য কিছু ওষুধ পত্র সাজিয়ে রেখে বালাই দুর করতে চেষ্টা করেন গ্রাম্য ও হাতুরে ডাক্তারেরা। কিন্তু তাদেরও ছাড়িয়ে গিয়েছে পান ও মুদি দোকানীরা।

সামান্য অসুস্থ হলেই সাধারন মানুষ ধরনা দিচ্ছে মুদি ও পানের দোকানে। দোকানীরা ও স্বঘোশিত ডাক্টার কাছে আসলেই ধরিয়ে দিচ্ছে কিছু নি¤œমানের ভেজাল ওষুধ পত্র।

যার ফলে অধিকাংশ সময় ঘটছে হিতে বিপরীত। অনুসন্ধানে দেখা যায় মুদি ও পানের দোকানে ওষুধ বিক্রয় করছে এবং সেখানে একজন ডাক্তার ও আছে। ডাক্তার হলো মুদি দোকানদার নিজেই। এসকল ডাক্তারদের নেই কোন ম্যাডিকেল সার্টিফিকেট, লাইসেন্সসহ আনুষঙ্গিক কাগজপত্র। উক্ত দোকানীরা জ্বর, বাত, আমাশয়, ডায়রিয়া শর্দি, কাশি গ্যাসসহ এ জাতীয় আরও চিকিৎসা দিয়ে থাকে। এমনকি ডাইক্লোফেনাকের মতো বিপদজনক ওষুধ যা যে কোন মুহুর্তে একটা মানুষের জীবন চিরতরে ধ্বংস করে দিতে পারে তারা এমন ওষুধ ও বিক্রয় করছে।

লাইসেন্স বিহীন শত শত ওষুধের ফার্মেসী গড়ে উঠছে রূপসা উপজেলায়। যা বিভিন্ন প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় পরিচালিত হচ্ছে। অসংখ্য ভেজাল কোম্পানির ওষুধ বিক্রয় হচ্ছে বিভিন্ন দোকানে। ভেজাল কোম্পানিগুলোর ওষুধ কম দামে হরহামেশায় ক্রয় বিক্রয় চলছে প্রতিনিয়ত এ সকল দোকানগুলোতে। এমনটি এসকল লাইসেন্স বিহিন দোকানে নেশাজাতীয় যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট গোপনে ক্রয় বিক্রয় চলছে।

অপরদিকে যারা লাইসেন্স নিয়ে ব্যবসা করছে তাদের অভিযোগ হলো ভেজাল কোম্পানির ওষুধ সমস্ত ড্রাগ লাইসেন্স বিহীন দোকানে বিক্রয় হচ্ছে। আমরা লক্ষ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করে বসে আছি আমাদের দোকানে কোন ক্রেতা নেই। পল্লী ডাক্তার হিসাবে পরিচয়কারী শতাধিক ড্রাগ ফার্মেসী রয়েছে উপজেলায় তাদের কোন ডাক্তারী লাইসেন্স নাই। এমনকি এসকল পল্লী চিকিৎসক ভেজাল ওষুধের মাধ্যমে চিকিৎসা দিয়ে রুগীর জীবন ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এটা তাদের কোন প্রকার বৈধতা না থাকলেও জমজমাট অবৈধ ড্রাক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। ভুক্তভোগী মহল ও উপজেলা বাসীর দাবি সকল প্রকার ভেজাল ওষুধ আমদানী ক্রয়-বিক্রয় বন্ধ এবং লাইসেন্স বিহীন সকল ড্রাগ ফ্যামেসী বন্দ করা হোক। অন্যথায় যে কোন সময় ঝরে যেতে পারে একটি জীবন।

মাত্র কয়েকদিন আগের কথা উপজেলার আলাইপুর বাজারে এক জনৈক মুদি ও পানের দোকানির দেওয়া ডাইক্লোফেনাক খেয়ে জীবন হারাতে বসেছিলো এক হতভাগা ইট ভাটার শ্রমিক। পরবর্তীতে তার অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয় এবং সেখানে কর্তব্যরত ডাক্তারের ২ মাসের চিকিৎসার পর তার উন্নতি ঘটে। তাছাড়া বিক্রি নিষিদ্ধ সরকারি ঔষধ, যৌন উত্তেজক ঔষধ, ভারতীয় ঔষধ, হারবাল কোম্পানীর বিভিন্ন ঔষধ, ভেজাল ও মেয়াদোর্ত্তীর্ণ ঔষধ রয়েছে। এছাড়া অনিবন্ধিত ঔষধও রয়েছে।

পাশাপাশি লাইসেন্সবিহীন ঔষধেরদোকানগুলো ভ্যাট ফাকি দিয়ে ক্রয় বিক্রয় করছে উপজেলার ওলি গলিতে অতিরিক্ত মুনাফার লোভে দেশের শীর্ষস্থানীয় ওষুধ উৎপাদক প্রতিষ্ঠানের এহেন অসাধুতা জনস্বাস্থ্যে বড় ধরনের বিপর্যয়ের কারণ হতে পারে বলে মনে করছে ‘ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর’। গত ১৩ আগস্ট ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর এক বিজ্ঞপ্তিতে এইস সফট-নাপা সফটের পাশাপাশি বিভিন্ন কোম্পানির প্যারাসিটামল জাতীয় ১৬টি ওষুধসহ মোট ৫১ ধরনের ওষুধের নিবন্ধন বাতিল করে। ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ওষুধ নিয়ন্ত্রণ কমিটির ২৪৪তম সভায় সুপারিশ অনুযায়ী এসব ওষুধের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করা হয়েছে।

এ ছাড়া নিয়ম অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কোম্পানিকে এসব ওষুধ নিজস্ব চ্যানেলের মাধ্যমে বাজার থেকে প্রত্যাহার করে তার পরিমানসহ অধিদপ্তরকে জানানোর নির্দেশ দেয়া হয়। বাতিলকৃত ওষুধের উৎপাদন, ক্রয়-বিক্রয়, মজুদ ও প্রদর্শন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে এসব ওষুধ যাতে বাজারজাত করতে না পারে তার জন্য বিভিন্ন ওষুধ মার্কেটের সামনে বিক্রয় নিষিদ্ধ ওষুধের নামের তালিকা ঝুলিয়ে দেয়ার প্রস্তুতি চলছে।

এছাড়াও সারা দেশে কর্মরত ওষুধ তত্ত্বাবধায়কদের ওই সব ওষুধ বাজার থেকে জব্দ করার জরুরী নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর থেকে জানা গেছে, দেশের শীর্ষ স্থানীয় ৫টি কোম্পানি বিভিন্ন ধরনের বাণিজ্যিক নামে রেজিস্ট্রেশন বাতিল ওষুধগুলো তৈরি করে অত্যাধিক মুনাফার আশায় বাজারজাত করত। এসব ওষুধ সেবনে রুগীর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হওয়ায় এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

নিষিদ্ধ ওষুধগুলোর বাণিজ্যিক নাম হলো- প্যারাডট ট্যাবলেট, নরসফট ট্যাবলেট, টেমিপ্রো ট্যাবলেট, পামিক্স-এম ট্যাবলেট, রেনোমেট ট্যাবলেট, জিসেফ ট্যাবলেট, সফটপ্যারো ট্যাবলেট, মেটেস ট্যাবলেট, এসিটা সফট ট্যাবলেট, ফাস্ট-এম ট্যাবলেট, এইস সফট ট্যাবলেট, একটল এম ট্যাবলেট, প্যারামিট ট্যাবলেট, ফিভিমেট ট্যাবলেট, নাপসফট ট্যাবলেট, পায়োগ্লিট ৩০ ট্যাবলেট, ডায়াট্যাগ ৩০ ট্যাবলেট, পাইলো ট্যাবলেট, পায়োডার, পায়োট্যাবট, ওগলি, প্রিগলিট, পায়োজন, একটোস, পিগ্লিট ৩০ ট্যাবলেট, পায়োগ্লিন, পায়োলিট, গ্লুকোজন, পিজোবেট, ডায়াটাস, টস-৩০ ট্যাবলেট, পিগজন ৩০ ট্যাবলেট, পায়োজেনা ৩০ ট্যাবলেট, লিট-৩০ ট্যাবলেট, ডায়াট্যাগ-৪৫ ট্যাবলেট, টস-৪৫ ট্যাবলেট, রসিগ্লিট, গ্লুকোরস-২ ট্যাবলেট, সেনসুলিন-২ ট্যাবলেট, রোমেরল-২ ট্যাবলেট, রসিট-২ ট্যাবলেট, রসিগ্লিট-৪ ট্যাবলেট, ট্যাজন-৪ ট্যাবলেট, রগ্লিট-৪ ট্যাবলেট, গ্লকোরস-৪ ট্যাবলেট, সেনসুলিন-৪ ট্যাবলেট, রোমেরল-৪ ট্যাবলেট, রসিট-৪ ট্যাবলেট।

রেজিস্ট্রেশন বাতিল প্রসঙ্গে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলেন, প্যারাসিটামল ৫০০ এমজি, যোগ ডিএল মেথিওনিন ১০০ এমজি কম্বিনেশন ট্যাবলেট পদটিতে মেথিওনিনের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া এবং ঝুঁকির বিষয়ে বেশ কিছু তথ্য টেকনিক্যাল সাব-কমিটির সভায় উপস্থাপিত হলে তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এরপর প্যারাসিটামল ৫০০ এমজি যোগ ডিএল মেথিওনিন ১০০ এমজি ট্যাবলেটের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করার সুপারিশ অনুমোদন করা হয়। এভাবে অন্যান্য ওষুধগুলোর রেজিস্ট্রেশন বাতিল করা হয়েছে।

জানা যায়, তালিকাভুক্ত ওষুধগুলোর পার্শ¦প্রতিক্রিয়া পরিলক্ষিত হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজার থেকে তা প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে। এছাড়াও ১২ বছরের নিচের কোনো শিশুর জন্য মেথিওনিন রিকমনডেড না হওয়ায় এটি অবাধে ব্যবহার ঝুঁকিপূর্ণ।

এ দিকে জানা গেছে, বাতিলকৃত ওষুধগুলো সারা দেশের ওষুধের দোকান থেকে জব্দ করার জন্য ওষুধ তত্ত্ববধায়কদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে ওষুধ নিয়ন্ত্রণ কমিটির সভায় ‘সুডোএফিড্রিন’ দিয়ে তৈরি হয় এমন সবধরনের ওষুধের নিবন্ধন বা রেজিস্ট্রেশন বাতিলের নির্দেশ দেওয়া হয় অধিদপ্তরকে।‘স্যুডোএফিড্রিন’ ওষুধ একটি নেশা জাতীয় উপাদান। ঠা-া ও সর্দিজনিত কারণে নাক বন্ধ হয়ে গেলে এ উপাদানটি ডিকনজেস্টেন্ট (নাকের কার্যাবলি স্বাভাবিক করতে) হিসেবে কাজ করে। কিন্তু উদ্দীপক বা উত্তেজক ক্রিয়ার কারণে এটি নেশা ধরানোর উপাদান হিসেবেও বিবেচিত। তাই অনেকেই কম খরচে নেশা করতে ‘স্যুডোএফিড্রিন’ যুক্ত সিরাপ গ্রহণ করে থাকেন।

নিয়ন্ত্রণ কমিটির সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০১৭ সালের মার্চে ‘ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর’ ‘স্যুডোএফিড্রিন’ দিয়ে তৈরি সব ওষুধের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করে এবং এ জাতীয় ওষুধ উৎপাদক সবগুলো প্রতিষ্ঠানের ব্র্যান্ড রেজিস্ট্রেশন বাতিল করে চিঠি দেয়। চিঠিতে তিন মাসের মধ্যে বাজার থেকে এ জাতীয় সব ওষুধ প্রত্যাহারপূর্বক ধ্বংস করে ‘ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর’কে অবহিত করতে বলা হয়।

ওষুধ উৎপাদক অন্য প্রতিষ্ঠান ‘স্যুডোএফিড্রিন’ মেশানো সিরাপ ‘তুসকা’ ও ‘অফকফ’ বাজারজাত বন্ধ না করে সরবরাহ অব্যাহত রাখে। বর্তমানে কর্তৃপক্ষকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে সিরাপ দু’টি বিক্রি করছে উচ্চমূল্যে। সূত্রে জানা যায়, রেজিস্ট্রেশন বাতিল করার পরও ‘তুসকা’ ও ‘অফকফ’ সিরাপ বাজারজাত ও বিক্রি আর ‘ডেক্সপোটেন’ সিরাপ উৎপাদন করছে এস্কাইফ ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেড। এই কফ সিরাপটি নেশা হিসেবে সেবন করা হয়।

বাজারে নিষিদ্ধ থাকলেও দেদারছে মিলছে ফার্মেসিগুলোতে। সিরাপের মোড়কে বাজার মূল্য ৮০ টাকা লেখা থাকলেও ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ফার্মেসির লোকজন। কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট সমিতির রূপসা উপজেলার সভাপতি মোঃ আবু সালেহ বাবু জানান, এই সংগঠনের সদস্য হতে হলে ড্রাগ লাইসেন্স, ট্রেড লাইসেন্স, আয়কর দাখিলের সনদসহ ফার্মেসির সার্টিফিকেট প্রয়োজন হয়।

আমরা প্রায় ১২০ টি মত ফার্মেসি সরকারকে ভ্যাট, আয়কর দিয়ে বৈধভাবে ড্রাগ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছি। অন্যদিকে হাজারো অবৈধ ফার্মেসি রয়েছে যারা ভ্যাজাল ওষুধ বিক্রি করছে। সরকারকে ভ্যাট আয়কর দিচ্ছেনা অথচ তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের আইনি কোন পদক্ষেপ চোখে পড়ছেনা। খুলনা ড্রাগ সুপার মনির আহম্মেদ বলেন ভেজাল ও নি¤œ মানের ওষুধ পরীক্ষা না করে বলা সম্ভব না তবে যদি কেহ এ জাতিয় অপরাধ করে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে এবং ওষুধ অধিদপ্তর ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ভ্রাম্যমান আদালত অব্যহত আছে।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ আনিসুর রহমান বলেন দীর্ঘদিন ধরেই দেশে ওষুধে ভেজাল হচ্ছে। অথচ ভেজাল প্রতিরোধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিয়ন্ত্রণের কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। ওষুধের মানউন্নয়ন ও গুনগতমান নিয়ন্ত্রণের জন্য উন্নত ও সম্প্রসারিত ড্রাগ টেস্টিং ল্যাব স্থাপন করা অতি জরুরি বলে জানান তিনি।

এ ব্যপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাসরিন আক্তার বলেন স্বল্প জনবল নিয়ে এই সব অপরাধ প্রতিরোধ করা সম্ভব হচ্ছে না, তবে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার মাধ্যমে বিভিন্ন বাজারে অভিযান অব্যাহত আছে। এ কার্যক্রম চলমান থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

নিচে আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ThemesBazar-Jowfhowo
# নতুন সকাল ডটকম, রূপসা-খুলনা থেকে প্রকাশিত একটি অনলাইন পত্রিকা। # এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি রাইট বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।