রবিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২১, ০৯:২৮ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :

ডুমুরিয়ায় গ্রামরক্ষা বাধঁ ভাঙ্গন রোধে স্বেচ্ছাশ্রম

  • আপডেট : মঙ্গলবার, ৬ এপ্রিল, ২০২১, ৯.১৪ পিএম
ডুমুরিয়ায় গ্রামরক্ষা বাধঁ ভাঙ্গন রোধে স্বেচ্ছাশ্রম

আশরাফুল আলম, ডুমুরিয়া : উপজেলার শোভনা ইউনিয়নের বাগআঁচড়া-বাদুরগাছা এলাকার গ্রামরক্ষা বাঁধ ভাঙ্গন রোধে স্বেচ্ছা শ্রমের মাধ্যমে কাজ চলছে।

কয়েকদিন ধরে নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ওই এলাকার স্লুইস গেট হতে অমল মন্ডলের বাড়ি পর্যন্ত প্রায় ১ কিলোমিটার বাঁধ ফাটল দেখা দিলে এলাকা বাসীর ঘুম হারাম হয়ে যায়। মঙ্গলবার সকালে তিন শতাধিক লোক সে¦চ্ছা শ্রমের ভিত্তিতে বাঁধটির মেরামত কাজে অংশ নেয়।

এলাকাবাসি জানায়, উপজেলার শোভনা ইউনিয়নের তেলিগাতি নদীর তীরবর্তী ব-দ্বীপ বেষ্টিত গ্রাম বাগআঁচড়া-বাদুরগাছা।

এ গ্রামের চারপাশ দিয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রানলয়ের অধিনস্থ গ্রামরক্ষা বাঁধ। অধিকাংশ সময় নদীর ভাঙ্গন আতংক ও ঝুঁকি নিয়েই মানুষের বসবাস করতে হয়। স্থানীয় সরকার ও ইউনিয়ন পরিষদের অর্থায়নে ভেড়ীবাঁধের সংস্কার কাজ হলেও স্থায়ী কোন সমাধান পাচ্ছেনা গ্রামবাসি।

গত পূর্নিমায় নদীতে অস্বাভাবিক হারে পানি বৃদ্ধির ফলে বাঁধের একাধিক স্থানে ফাঁটল খো দেয় এবং পানি ভিতরে প্রবেশ করে। এতে ওই এলাকায় বসবাসরত মানুষের মধ্যে আতংক বিরাজ করতে থাকে। তাৎক্ষণিক ভাবে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও ইউপি চেয়ারম্যান নির্দেশনায় বাধের ফাটল স্থানে মাটি দেওয়া হলেও এলাকাবাসী নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন।

অবশেষে এলাকার প্রায় তিন শতাধিক লোক একাত্রে স্বেচ্ছাশ্রম মাধ্যমে বাঁধ মেরামতের চেষ্টা চালায়। বর্তমানে নদীর পানির চাপ কিছুটা কম থাকায় বাঁধে মাটি দিয়ে রক্ষার চেষ্টা করা হচ্ছে।

ইউপি সদস্য দেব্রত সরদার বলেন, সরকারী ভাবে প্রতিবছর বাঁধ সংস্কার করা হয় কিন্তু তা চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল। নদীর এ কুল অনেক গভীর হওয়ায় তুলনামূলক ভাবে স্রোত বেশি হয়। যে কারণে বাধের উপর চাপ পড়ে। টেকসই বাঁধ নির্মাণ করতে না পারলে এলাকার ফসল সহ মানুষের ব্যাপক ক্ষতি হবে।

ইউপি চেয়ারম্যান সুরঞ্জিত কুমার বৈদ্য বলেন, বাঁধটি মেরামতের জন্য বিভিন্ন সময় ইউনিয়ন পরিষদ থেকে টিআর,কাবিখা ও নগদ অর্থ দেয়া হয়েছে।

এছাড়া মাননীয় সংসদ সদস্য নারায়ন চন্দ্র চন্দ ভাঙ্গন কবলিত বাঁধটি সংস্কারের জন্য লক্ষাধিক অর্থ দিয়েছেন। ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধটি নাজুক পরিস্থিতি উত্তরনের জন্য এলাকাবাসির উদ্যোগে সে¦চ্ছাশ্রমে বাঁধের কাজ চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে উপজেলা প্রকৌশলী বিদ্যুৎ কুমার দাস বলেন,স্থানীয় সরকার অধীনস্থ ওই বাধটি প্রতিবছর নদী গর্ভে বিলিন হয়, আবার প্রকল্পের মাধ্যমে মাটির কাজ করানো হয়ে থাকে।

ঝুঁকিপূর্ণ এ বাঁধটি টেকসই করার লক্ষে একটি প্রকল্প গ্রহন করা হয়েছে। সার্ভে টিম ইতোমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নকসা তৈরী করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

নিচে আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ThemesBazar-Jowfhowo
# নতুন সকাল ডটকম, রূপসা-খুলনা থেকে প্রকাশিত একটি অনলাইন পত্রিকা। # এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি রাইট বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।