শনিবার, ১৫ মে ২০২১, ০১:৩৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
তেরখাদা সদর ইউনিয়নবাসীকে ঈদ-উল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সৌদি প্রবাসী আবুল হাসান রূপসা প্রেসক্লাবের সদস্যদের তরুণ সমাজ সেবক জুয়েলের ঈদ উপহার প্রদান তেরখাদা উপজেলাবাসী সহ সদর ইউনিয়নবাসীকে উপজেলা আ’লীগের সভাপতির ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা তেরখাদা উপজেলাবাসী সহ সদর ইউনিয়নবাসীকে উপজেলা আ’লীগের সাধারন সম্পাদকের ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা তেরখাদা সদর ইউনিয়নবাসীকে জেলা স্বেচ্চাসেবকলীগ নেতার ঈদ-উল ফিতরের শুভেচ্ছা খুলনা জেলাবাসীকে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন পুলিশ সুপার মাহবুব হাসান চিলমারীতে অটো রিক্সার চাপায় এক শিশুর মৃত্যু মংলা ও সুন্দরবনের জেলেপাড়ায় নৌবাহিনীর সপ্তাহব্যাপী ত্রাণ তৎপরতা ডুমুরিয়া ও ফুলতলায় নারায়ণ চন্দ্র চন্দ এমপি’র ঈদ উপহার বিতরণ রামপালে অসহায় ও দুস্থদের মাঝে উপ‌জেলা ছাত্রদলের ইফতার বিতরণ

লকডাউনের মধ্যে তেরখাদায় চলছে এনজিওর কিস্তি আদায়

  • আপডেট : শনিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২১, ৪.২০ পিএম
তেরখাদায়

নিজস্ব প্রতিবেদক : তেরখাদা উপজেলায় মহামারি করোনা ভাইরাস সংক্রমন রোধে শুরু হওয়া সর্বাত্বক লকডাউনে সরকারি বেসরকারি অফিস, মার্কেট বিপনী, খাদ্য ও ঔষুধের দোকান ছাড়া সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে।

চলাচল করা গণপরিবহনও বন্ধ রয়েছে। লকডাঊনের মধ্যে কর্মহীন গ্রামা লের মানুষের কাছে এনজিও কর্মীদের কিস্তি আদায় বাড়তি আতংক হয়ে উঠেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যাক্তি জানিয়েছেন, লকডাউনের মধ্যে কিস্তি আদায় ঘটনা অমানবিক। অনেকেই মান সম্মানের ভয়ে কিস্তি’র টাকা দিতে বাধ্য হচ্ছেন।

করোনা ভাইরাসের ২য় ওয়েভে আতংকগ্রস্থ হয়ে পড়েছে সাধারন মানুষ। হাট-বাজারে কমে গেছে মানুষের উপস্থিতি। আতংক আর ক্রেতাদের অভাবে দোকান-পাঠ, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। আয় রোজগার কমে যাওয়ায় ক্রমেই দিন মজুর, রিকসা-ভ্যান চালক, শ্রমজীবী ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মাঝে চরম হতাশা বিরাজ করছে। এরপরও গ্রাম এলাকায় আবার কিস্তির জন্য তাড়া করছেন বিভন্ন এনজিও কর্মিরা।

একদিকে করোনা ভাইরাস আতংক, অন্যদিকে এনজিও’র ঋণের কিস্তির টাকার বোঝা মাথায় নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে তেরখাদা উপজেলার হাজার হাজার স্বল্প আয়ের মানুষ। করোনা ভাইরাসের ভয়াবহতা কেটে যাওয়ার আগ পর্যন্ত ক্ষুদ্র ঋণের কিস্তি আদায় বন্ধ রাখা হোক এমনাটাই দাবি করেছেন ঋণ গ্রহীতারা।

খোজ খবর নিয়ে জানা গেছে, তেরখাদা উপজেলায় ব্রাক, গ্রামীণ ব্যাংক, আশা, আদ্দীন, সিএসএস, জাগরণী, আরআরএফ, টিএমএসএস, বুরো বাংলা, আরডিবিসহ বেশ কয়েকটি এনজিও ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

লক ডাউন উপেক্ষা করে কাক ডাকা ভোরেই অধিকাংশ এনজিও কর্মীরা বিভিন্ন এলাকার বাসা-বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কিস্তির টাকা আদায়ের জন্য বেরিয়ে পড়ছেন। এতে এনজিও কর্মি ও ঋণ গ্রহীতা উভয়ের জন্য করোনা ভাইরাস সংক্রমনের মারাত্মক ঝুকি রয়েছে বলে মনে করছেন চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা।

এ দুঃসময়ে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও দিন মজুরী পরিবারগুলোর উপর এনজিও’র কিস্তির টাকা যেন মরার উপর খাড়ার ঘা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিস্তির টাকা নিয়ে ঋণ গ্রহীতাদের মধ্যে এনজিও কর্মীদের অসৌজন্যমূলক আচরণ ও ঝগড়া বিবাদের অভিযোগ পাওয়া গেছে। হাত-পা ধরেও রেহায় পাচ্ছেনা ঋণ গ্রহীতারা।

এনজিওর ঋণ গ্রহীতা উপজেলা সদরের তেরখাদা সুপার মার্কেটের ব্যবসায়ীগণ পলাশ শেখ, মোঃ জুয়েল মোল্যা, হোসেন মোল্যা, মোঃ আশরাফুল, মোঃ শামীম সমিতির ঋণ নিয়ে আমরা ব্যাবসা বানিজ্য করে জিবীকা নির্বাহ করার পাশাপাশি কিস্তির টাকা পরিশোধ করে আসছিলাম। কিন্তু হঠাৎ আবারও করোনা ভাইরাসের ২য় ওয়েভে আতংকে অধিকাংশ মানুষ জরুরী প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের হচ্ছে না। একারণে রাস্তা-ঘাট জনশুন্যে পরিণত হয়ে রয়েছে।

এখন কিস্তির টাকাতো দুরো থাক কিভাবে খেয়ে-পারো বাঁচবো তাই ভেবে পাচ্ছি না। শেখপুরা এলাকায় অবস্থিত বুরো বাংলাদেশের ম্যানেজার মো. হাফিজুর রহমান বলেন, এলাকায় ঋণ প্রদান ও কিস্তি আদায় বন্ধ করা হয়েছে। আদ্দীন এর ম্যানেজার মোঃ আলাউদ্দিন আজাদ সাগর বলেন, ৭ দিনের লক ডাউনে লোন ও কিস্তি আদায় কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে রয়েছে।

তেরখাদা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বলেন, আমাদের কাছে কোন সুস্পষ্ট নির্দেশনা আসেনি। করোনা বৃদ্ধি পাওয়ায় লক ডাউনের মধ্যে কিস্তি আদায় অমানবিক। যদি নির্দেশনা আসে তবে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে ।

নিউজটি শেয়ার করুন

নিচে আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ThemesBazar-Jowfhowo
# নতুন সকাল ডটকম, রূপসা-খুলনা থেকে প্রকাশিত একটি অনলাইন পত্রিকা। # এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি রাইট বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।