রবিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২২, ০৮:১৫ পূর্বাহ্ন
জরুরী ঘোষণা :

নতুন সকাল ডটকম পড়ুন ও বিজ্ঞাপন দিন। নতুন সকাল ডটকম পড়ুন ও বিজ্ঞাপন দিন। নতুন সকাল ডটকম পড়ুন ও বিজ্ঞাপন দিন নতুন সকাল ডটকম পড়ুন ও বিজ্ঞাপন দিন *

সংবাদ শিরোনাম
বিএনপি গণতান্ত্রিক পন্থা না মানলে রাজনৈতিকভাবে প্রতিহত করা হবে-নারায়ন চন্দ্র চন্দ এমপি রূপসায় আওয়ামীলীগ নেতা বাবুর চাচার জানাজা সম্পন্ন তেরখাদা সদর ইউনিয়ন যুবলীগের কর্মী সভা প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা সমাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ-সিটি মেয়র ‍‍‌‌‌‌‍‌‌গঠনমূলক সাংবাদিকতা সকলক্ষেত্রে ইতিবাচক দিকনির্দেশনা দিতে পারে রূপসায় আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস পালিত সাংবাদিক নয়নের মায়ের মৃত্যুতে তেরখাদা প্রেস ক্লাবের শোক ডুমুরিয়ায় পুরাতন ট্রালার ঘাটে ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত খুলনা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পূর্ব রূপসায় দুই বীর শহীদের মাজারে পুষ্পমাল্য অর্পণ বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমীন ও বীর বিক্রম মহিবুল্লাহ’র শাহাদৎ বার্ষিকী উপলক্ষে রূপসায় নানা আয়োজন

জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রনে সাফল্য ও প্রশংসা কুড়িয়েছেন পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জাহিদ আহমেদ

  • আপডেট : সোমবার, ১৫ আগস্ট, ২০২২, ১২.৫৮ এএম
  • ২২ জন পড়েছেন
জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রনে সাফল্য ও প্রশংসা কুড়িয়েছেন পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জাহিদ আহমেদ

শামীমুল ইসলাম শামীম, ঝিনাইদহ প্রতিনিধি : জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রনে সাফল্য ও প্রশংসা কুড়িয়েছেন ঝিনাইদহ জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ-পরিচালক ডাঃ জাহিদ আহমেদ। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমের জন্য একটি নন্দিত জেলার নাম ঝিনাইদহ। ডা. জাহিদ আহমেদ এর অক্লান্ত পরিশ্রম ও বিরামহীন কর্মের কারণে আজ ঝিনাইদহ জেলা জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রন এবং উন্নয়নের রোল মডেল। পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর,জেলার সবকারি-বেসরকারি প্রশাসনসহ জেলাজুড়ে ঝিনাইদহ জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ-পরিচালক ডাঃ জাহিদ আহমেদ এর জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রনের সাফল্যের প্রশংসা করছেন।

মা ও শিশু স্বাস্থ্য উন্নয়ন এবং মৃত্যুহারেও ছাড়িয়ে গেছে অন্য জেলা থেকে। নীরবে নিভৃতে এই অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখিয়ে ঝিনাইদহ জেলাকে উচ্চতার আসনে অধিষ্ঠিত করেছেন উপ-পরিচালক ডাঃ জাহিদ আহমেদ। এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে ঝিনাইদহ জেলায় দম্পত্তি প্রতি গড় সন্তান সংখ্যা ১.৬৬, যা খুলনা বিভাগের মধ্যে এগিয়ে। প্রাপ্ত তথ্যমতে, খুলনা বিভাগে দম্পত্তি প্রতি গড় সন্তান সংখ্যা ১.৯ আর দেশে ২.০৪। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রনে এই নি¤œ হারের কারণে জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার হিসেবে পুরস্কৃত হন ঝিনাইদহ জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ-পরিচালক ডাঃ জাহিদ আহমেদ। তিনিই বদলে দিয়েছেন জেলার পরিবার পরিকল্পনা বিভাগকে। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রনের পাশাপাশি অফিসে শৃখলা ফিরিয়ে মাঠকর্মীদের কাছে আস্থার প্রতিক হিসেবে পরিগনিত হয়েছেন। তার ছোঁয়ায় প্রাণ ফিরে পেয়েছে ঝিনাইদহ জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ। ঝিনাইদহ জেলার পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ ২০১২ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত মা ও শিশু কল্যান কেন্দ্র খুলনা বিভাগের মধ্যে টানা পাঁচ বার প্রথম হয়েছে, যা দেশে নজিরবিহীন। তথ্য নিয়ে জানা গেছে, দায়িত্ব গ্রহনের পর থেকে ডাঃ জাহিদ আহমেদ ঝিনাইদহ জেলাপরিবার পরিকল্পনা বিভাগকে ঢেলে সাজিয়েছেন। বন্ধ ক্লিনিকগুলো সচল রাখতে তার অবদান স্মরণযোগ্য। সারা বাংলাদেশে ১৫৯টি দশ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু হাসপাতাল যেখানে বেশির ভাগ বন্ধ সেখানে ঝিনাইদহের বিভিন্ন ক্লিনিকগুলো স্থানীয় ব্যবস্থাপনায় জনবল নিয়োগ করে সচল রেখেছেন। সকাল সাড়ে ন’টা থেকে সার্বক্সনিক খোলা রাখার ব্যবস্থা করেছেন। জেলার হরিণাকুন্ডু উপজেলার ফলসি, চাঁদপুর ও শৈলকুপার মির্জাপুর ইউনিয়নে নির্মিত হাসপাতালগুলোর গুনগত মান নিশ্চিত করণে কোন আপোষ করনেনি। ব্যক্তিগস জীবনেও তিনি মানবিক এক অফিসার। ২০১৪ সালের সমগ্র বাংলাদেশ থেকে ‘‘রতœগর্ভা মা’’ খ্যাতি অর্জনকারী মিসেস মাহমুদা বেগম ও বিশিষ্ট চিকিৎসক ডাঃ নাসির উদ্দিন আহমেদের ৩ ছেলে ও ৩ মেয়ের মধ্যে ডাঃ জাহিদ আহমেদ সবার ছোট। ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কালীচরনপুর ইউনিয়নের ভগবাননগর গ্রামে তাঁর পৈতিৃক নিবাস। দুই ভাই ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ ও চার ভাইবোন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া করেছেন। ডাঃ জাহিদ আহমেদ ঐতিহ্যবাহী ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজের মেধাবী ছাত্র এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজে সর্বোচ্চ নাম্বার পেয়ে ভর্তি হন। ডাঃ জাহিদ আহমেদ মানবিক অফিসার হিসেবে নিজের চাকরীর মধ্যে কর্মকান্ড সীমাবদ্ধ করে রাখেননি। তিনি স্কুল, মাদ্রাসা, মসজিদ উন্নয়ন ছাড়াও তিনি গরীব অসহায় হত দরিদ্র পরিবারকে আর্থিক সহায়তা করে যাচ্ছেন। অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী তার অর্থে লেখাপড়া করছেন। উপ-পরিচালক ডাঃ জাহিদ আহমেদ বলেন, স্টাফদের সহায়তায় পরিবার পরিকল্পনা বিভাগকে তিনি শৃংখার মধ্যে দাড় করিয়েছেন। কাজ করতে গিয়ে যদি কোন ব্যার্থতা থাকে তা আমার, আর সফলতা ঝিনাইদহের মানুষের। তিনি বলেন, আমি নিজের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করেছি মাত্র।
উল্লেখ্যঃ ১৯৭৫ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশের কৃষি জমি বাঁচাতে এক বেতার ভাষণে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রনে জোরালো নিদের্শনা প্রদান করেন। এ নিদের্শনার পর ১৯৭৬ সাল থেকে মাঠ পর্যায়ে পরিবার পরিকল্পনা কর্মী নিয়োগ শুরু হয়।১৯৮৯ সাল থেকে প্রত্যেক দম্পতির জীবন বৃত্তান্ত লিখিতভাবে লিপিবদ্ধের জন্য রেজিষ্টার কার্যক্রম শুরু করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

নিচে আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

ThemesBazar-Jowfhowo
# নতুন সকাল ডটকম, খুলনা রূপসা থেকে প্রকাশিত একটি অনলাইন পত্রিকা। # এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি রাইট বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।